মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়ার বিষয়ে সওয়াল করলো হোয়াইট হাউস। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটের কথায়, মিস্টার প্রেসিডেন্টের হস্তক্ষেপে তো প্রায় প্রতিমাসেই একটা করে শান্তিচুক্তি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক নানাবিধ শান্তিচুক্তিতে মিস্টার প্রেসিডেন্টের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ বহুবার মনোনয়ন দেয়া হলেও তিনি এখনো ওই পুরস্কার পাননি। অথচ মিস্টার প্রেসিডেন্ট মধ্যস্থতা না-করলে কিন্তু থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার সীমান্ত দ্বন্দ্বও সহজে মিটত না।
ট্রাম্পকে ‘বিশ্বশান্তির দূত’ হিসেবে ব্যাখ্যা করে সম্প্রতি একাধিক বিদেশি নেতা তাকে ২০২৬-এর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু থেকে শুরু করে পাক সেনাপ্রধান আসিফ মুনিরও রয়েছেন সেই তালিকায়। এ বার হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিবকে বলতে শোনা গেল, প্রেসিডেন্ট থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া, ইজরাইল ও ইরান, রোয়ান্ডা ও গণপ্রজাতান্ত্রিক কঙ্গো, ভারত ও পাকিস্তান, সার্বিয়া ও কসোভো এবং মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্যে সংঘাতের অবসান ঘটিয়েছেন। কুর্সিতে বসার পরে ছ’মাসে গড়ে একটা করে শান্তি চুক্তি বা যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করেছেন। অনেক আগেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া উচিত ছিল।
এদিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়। ভারত-পাক সংঘর্ষে ট্রাম্পের মধ্যস্থতার কথা একবারও স্বীকার করেনি কেন্দ্র। হোয়াইট হাউসের নোবেল-আর্জি নিয়ে জয়সওয়ালের জবাব, প্রশ্নটা আপনারা বরং হোয়াইট হাউসের কাছেই রাখুন।
নয়াদিল্লি বহুবার স্পষ্ট করে বলেছে যে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শত্রুতা বন্ধের বিষয়টি দ্বিপাক্ষিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তা সত্ত্বেও ডনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন যে তিনি যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করেছিলেন, এমনকি এটিকে বাণিজ্যের সাথেও যুক্ত করেছেন। যদিও নয়াদিল্লি সর্বদা তার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে, অন্যদিকে ইসলামাবাদ চুক্তিতে মধ্যস্থতার জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। জুন মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের সময় ট্রাম্পের ‘কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের’ কথা উল্লেখ করে পাকিস্তান তাকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য অন্যতম দাবিদার হিসেবে উল্লেখ করে। তবে, নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি যারা নোবেল শান্তি পুরষ্কার প্রাপকদের নির্বাচন করে, ট্রাম্পের প্রার্থিতা সম্পর্কে কখনও প্রকাশ্যে মন্তব্য করেনি।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
| ফজর | ০৪:৫৪-০৬:০৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১২:০৯-০৪:২৫ মিনিট দুপুর |
| আছর | ০৪:২৬-০৬:০৬ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ০৬:১০-০৭:২১ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ০৭:২২-০৮:৪৯ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |