লক্ষ্য ৫৩৭ রানের। তাই হারটা অবধারিতই ছিল জিম্বাবুয়ের জন্য। মহানাটকীয় কিছু করে দেখাতে পারেনি ক্রেইগ আরভিনের শিষ্যরা। সিরিজের প্রথম টেস্টে তাদের ৩২৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ে ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল প্রোটিয়ারা।
টেস্টে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিততে চাইলে নতুনকরে রেকর্ড গড়তে হতো জিম্বাবুয়েকে। এজন্য শেষ দুই দিনে করতে হতো অতিমানবীয় ব্যাটিং। যদিও ন্যূনতম প্রতিরোধই গড়তে পারেনি তারা। লক্ষ্য তাড়ায় তাদের ইনিংস থেমেছে ২০৮ রানে।
জবাব দিতে নেমে জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্যাট হাতে দাঁড়াতে পেরেছিলেন কেবল ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও আরভিন। ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন আগেরজন। এক রানের জন্য ফিফটি বঞ্চিত হন অধিনায়ক। এছাড়া ২৬ রান আসে শন উইলিয়ামসের ব্যাট থেকে। জিম্বাবুয়েকে ধ্বসিয়ে দিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন করবিন বশ। ৪৩ রানে ৫ উইকেট নেন এই পেসার। এছাড়া কোডি ইউসুফের শিকার তিনটি।
এর আগে জোড়া সেঞ্চুরিতে ৪১৮ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৫৩ রান এনে দেন প্রিটোরিয়াস। বশের অবদান ১০০ রান। জবাবে ২৫১ রানে থামে জিম্বাবুয়ের ইনিংস। ১৩৭ রান করেন শন উইলিয়ামস। অতিথিদের হয়ে ৪ উইকেট নেন উইয়ান মুল্ডার। ১৬৭ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে দারুণ কিছুই করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এ যাত্রায় ৩৬৯ রান তোলে তারা। সর্বোচ্চ ১৪৭ রান আসে মুল্ডারের ব্যাট থেকে। কেশভ মহারাজ করেন ৫১ রান। সমান ৩৬ রান এনে দেন কাইল ভারানে ও বশ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৪ উইকেট নেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণ আফ্রিকা:
প্রথম ইনিংস: ৪১৮/৯ (ডিক্লেয়ার) ও দ্বিতীয় ইনিংস: ৩৬৯/১০ (৮২.৫ ওভার); মুল্ডার ১৪৭, মহারাজ ৫১; মাসাকাদজা ৪/৯৮
জিম্বাবুয়ে:
প্রথম ইনিংস: ২৫১/১০ ও দ্বিতীয় ইনিংস: ২০৮/ ১০ (৬৬.২ ওভার); মাদাকাদজা ৫৭, আরভিন ৪৯; বশ ৫/৪৩
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৮ রানে জয়ী
| ফজর | ০৪:৫৪-০৬:০৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১২:০৯-০৪:২৫ মিনিট দুপুর |
| আছর | ০৪:২৬-০৬:০৬ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ০৬:১০-০৭:২১ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ০৭:২২-০৮:৪৯ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |