পাকিস্তানে ভারী বর্ষণ ও প্রবল বন্যায় এ পর্যন্ত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, আকস্মিক বন্যায় সেখানে ১৯ জন মারা যায়। এছাড়া, পাঞ্জাব প্রদেশে মারা গেছেন কমপক্ষে ১৩ জন। খবর: আল জাজিরার।
বন্যায় খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ৫৬টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্তত হয়েছে। এরমধ্যে ছয়টি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।
এদিকে, আগামী কয়েকদিনে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ভারী মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং এরফলে বন্যা হতে পারে। রোববার পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দেশব্যাপী এ সতর্কতা জারি করেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আগামী পাঁচ জুলাই পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পাহাড়ি অঞ্চলে সম্ভাব্য আকস্মিক বন্যা এবং প্রধান শহরগুলোতেও প্রবল বর্ষণের ফলে বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। এজন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
পাঞ্জাবে, ঝিলাম, নারোয়াল এবং লাহোরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ো বাতাস এবং বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে মধ্য খাইবার পাখতুনখাওয়ার নিম্নাঞ্চলে, বিশেষ করে পেশোয়ার, চরসাদ্দা, নওশেরা এবং কোহাট শহরে বন্যা দেখা দিতে পারে।
খাইবার পাখতুনখাওয়ার হাজারা এবং মালাকান্দ বিভাগসহ উত্তরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার বিষয়েও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
| ফজর | ০৪:৫৪-০৬:০৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১২:০৯-০৪:২৫ মিনিট দুপুর |
| আছর | ০৪:২৬-০৬:০৬ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ০৬:১০-০৭:২১ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ০৭:২২-০৮:৪৯ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |