| ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ নির্দেশনা

রিপোর্টারের নামঃ ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট টাইম : 11-06-2025 ইং
  • 140267 বার পঠিত
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ নির্দেশনা
ছবির ক্যাপশন: করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ নির্দেশনা

সম্প্রতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ১১দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বুধবার দুপুরে অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এ নির্দেশনার কথা জানান।

লিখিতে বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ভাইরাসজনিত সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা ভাইরাসের কয়েকটি নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট ইতোমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তার প্রতিরোধে সকল স্থল/নৌ/বিমান বন্দরের আইএইচআর ডেস্কসমূহে নজরদারি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়গুলো জোরদার করার বিষয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ দফা নির্দেশনাগুলো হলো:

সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসাধারণের করণীয়-

১. জনসমাগম যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন এবং উপস্থিত হতেই হলে সেক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।

২. শ্বাসতন্ত্রের রোগ সমূহ হতে নিজেকে রক্ষার জন্য মাস্ক ব্যবহার করুন।

৩. হাঁচি/কাশির সময় বাহু বা টিস্যু দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখুন।

৪. ব্যবহৃত টিস্যুটি অবিলম্বে ঢাকনা যুক্ত ময়লা ফেলার ঝুড়িতে ফেলুন।

৫. ঘনঘন সাবান ও পানি কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন (অন্তত ২০ সেকেন্ড)।

৬. অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক, মুখ ধরবেন না।

৭. আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন।

সন্দেহজনক রোগীদের ক্ষেত্রে করণীয়-

১. জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে থাকুন।

২. রোগীর নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করতে বলুন।

৩. রোগীর সেবাদানকারীগনও সতর্কতা হিসেবে মাস্ক ব্যবহার করুন।

৪. প্রয়োজন হলে নিকটস্থ হাসপাতালে অথবা আইইডিসিআর (০১৪০১-১৯৬২৯৩) অথবা স্বাস্থ্য বাতায়ন (১৬২৬৩) এর নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

উল্লেখ্য, সংক্রমণ আশঙ্কাজনক না হলেও দেশে এ করোনার প্রকোপ বাড়ছে। গত বৃহস্পতিবার দেশে করোনায় একজনের মৃত্যু হয়। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) কোভিড-১৯ নজরদারি ডেটা বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মে মাসে সংক্রমণের হার তীব্রভাবে বেড়েছে। মে মাসে ১,৪০৯টি নমুনার মধ্যে ৯.৫১ শতাংশ কোভিড-১৯ পজিটিভ এসেছে, যা ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর সর্বোচ্চ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়। এর দশ দিন পর করোনায় প্রথম মৃত্যু হয়। এরপর থেকে দেশে ২০ লাখ ৫১ হাজারের বেশি আক্রান্ত হয় এবং ২৯,৪৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ Gen Z Bangladesh Online - জেন জি বাংলাদেশ অনলাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ