গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের অব্যাহত বিমান ও ড্রোন হামলায় বুধবার কমপক্ষে ৯১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭৭ জনই মানবিক সাহায্য পাওয়ার জন্য জড়ো হয়েছিলেন। একটি ভয়াবহ হামলায় ইসরাইলি বাহিনী জিকিম ক্রসিংয়ে খাদ্য সহায়তা গ্রহণ করতে আসা ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তাতে কমপক্ষে ৫১ জন নিহত এবং ৬৪৮ জন আহত হন। ওই এলাকা দিয়ে উত্তর গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করছিল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।
এদিকে, গাজার হাসপাতালগুলো থেকে আরও সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তাদের মৃত্যুর কারণ ‘ক্ষুধা ও অপুষ্টি’। গত অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ নিয়ে ক্ষুধাজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫৪। এর মধ্যে ৮৯ জনই শিশু। ওদিকে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি। তিনি বলেন, দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথেই সংকটের স্থায়ী সমাধান নিহিত। ইসরাইলের গাজা অভিযানে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০১৩৮। আহত হয়েছেন ১,৪৬,২৬৯ জন। আল জাজিরা জানায়, বুধবার দিবাগত রাতে ইসরাইলি সেনারা একাধিক প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে গাজার বিভিন্ন এলাকায়। এর মধ্যে আছে দেইর আল-বালাহ, মধ্য গাজা: একটি বাস্তুচ্যুত পরিবারের তাঁবুতে ড্রোন হামলায় এক দম্পতি ও তাদের দুটি শিশুর মৃত্যু হয়। গাজা শহরের দক্ষিণে: আরেকটি তাঁবুতে হামলায় কমপক্ষে দু’জন নিহত ও কয়েকজন আহত হন। আল-মাওয়াসি, খান ইউনিসের পশ্চিমে একটি তাঁবুতে হামলায় দু’জন নিহত হন। আস-সাফতাউই এলাকা, উত্তর গাজা সিটিতে একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় তিনজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন।
ওদিকে, গ্যালাপ জনমত জরিপ প্রতিষ্ঠান প্রকাশিত সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, বর্তমানে মাত্র ৩২ শতাংশ আমেরিকান নাগরিক গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানে সমর্থন দিচ্ছে। যা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১০ শতাংশ কম। জরিপে একটি গভীর রাজনৈতিক বিভাজনও প্রকাশ পায়। রিপাবলিকান পার্টির ৭১ শতাংশ সমর্থক ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে অনুমোদন দিলেও, ডেমোক্রেটদের মধ্যে এই সংখ্যা মাত্র ৮ শতাংশ।
| ফজর | ০৪:৫৪-০৬:০৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১২:০৯-০৪:২৫ মিনিট দুপুর |
| আছর | ০৪:২৬-০৬:০৬ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ০৬:১০-০৭:২১ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ০৭:২২-০৮:৪৯ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |