গ্রেনাডার ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ২১৭ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই তাড়া করে জয় তুলে নিয়েছিল সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিমদের নিয়ে গড়া বাংলাদেশ। সে রেকর্ড ভাঙার সুযোগ পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের দাপটে বাংলাদেশের সে রেকর্ড অক্ষতই থেকে গেল।
গ্রেনাডা টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৭৭ রানের লক্ষ্য দেয় অস্ট্রেলিয়া। জবাব দিতে নেমে ন্যূনতম লড়াইও করতে পারেনি স্বাগতিকরা। ১৪৩ রানে গুটিয়ে গেছে তারা- ক্যারিবিয়ানদের হার ১৩৩ রানে। তাদের হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সাদা পোশাকের সিরিজ নিজেদের করে নিলো অস্ট্রেলিয়া।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৩৪ রান করেন রোস্টন চেজ। ২৪ রান এনে দেন শামার জোসেফ। শাই হোপের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মিচেল স্টার্ক ও নাথান লায়ন তিনটি করে উইকেট নেন। এছাড়া জশ হ্যাজলউডের শিকার দুটি।
তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে ২২১ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ দিন আর মাত্র ২২ রান করতেই অলআউট হয় অতিথিরা। প্রথম ইনিংসে তারা করেছিল ২৮৬ রান। জবাবে ২৫৩ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ইনিংসে ৩৩ রানে পিছিয়ে ছিল তারা। এবার টানা দ্বিতীয় হারে সিরিজ হাতছাড়া করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ২৮৬/১০ ও দ্বিতীয় ইনিংস: ২৪৩/১০ (৭১.৩ ওভার); স্মিথ ৭১, গ্রিন ৫২; জোসেফ ৪/৬৬
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস: ২৫৩/১০ ও দ্বিতীয় ইনিংস: ১৪৩/১০ (৩৪.৩ ওভার); চেজ ৩৪, জোসেফ ২৪; স্টার্ক ৩/২৪
ফল: অস্ট্রেলিয়া ১৩৩ রানে জয়ী
ম্যাচসেরা: অ্যালেক্স ক্যারি
সিরিজ: ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া
| ফজর | ০৪:৫৪-০৬:০৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১২:০৯-০৪:২৫ মিনিট দুপুর |
| আছর | ০৪:২৬-০৬:০৬ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ০৬:১০-০৭:২১ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ০৭:২২-০৮:৪৯ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |