| ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


মানি লন্ডারিং মামলায় জি কে শামীমের ১০ বছর কারাদণ্ড থাকবে কি না, রায় ৭ আগস্ট

রিপোর্টারের নামঃ ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট টাইম : 05-07-2025 ইং
  • 119085 বার পঠিত
মানি লন্ডারিং মামলায় জি কে শামীমের ১০ বছর কারাদণ্ড থাকবে কি না, রায় ৭ আগস্ট
ছবির ক্যাপশন: মানি লন্ডারিং মামলায় জি কে শামীমের ১০ বছর কারাদণ্ড থাকবে কি না, রায় ৭ আগস্ট

মানি লন্ডারিং মামলায় প্রভাবশালী ঠিকাদার জি কে শামীমের ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল থাকবে কি না হাইকোর্টের রায় আগামী ৭ আগস্ট। হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের এ দিন ঠিক করেছেন। 

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মো. নজরুল ইসলাম ২০২৩ সালের ১৭ জুলাই জি কে শামীমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন জি কে শামীম। 

জি কে শামীম ছাড়াও ৪ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া তার সাত দেহরক্ষী ছিলেন দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানে নিজ কার্যালয় থেকে সাত দেহরক্ষীসহ শামীম গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের আগে শামীম কখনো নিজেকে যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, কখনো নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচয় দিতেন।

তিনি সামনে-পেছনে সাতজন সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরা করতেন। শামীমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

মানি লন্ডারিংয়ের মামলাটি হয় রাজধানীর গুলশান থানায়। এ মামলায় ২০২০ সালের ৮ আগস্ট শামীমসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। একই বছরের ১০ নভেম্বর আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ২৩ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে। মামলায় ২০২৩ সালের ১৫ জুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, দেশের ১৮০টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৩৩৭ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত রয়েছে শামীমের। এ ছাড়া ঢাকায় দুটি বাড়িসহ প্রায় ৫২ কাঠা জমির মালিক তিনি। এসবের দাম ৪১ কোটি টাকা। শামীম তার অস্ত্রধারী সাত দেহরক্ষীকে দিয়ে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টেন্ডারবাজি, বাস টার্মিনাল ও গরুর হাটে চাঁদাবাজি করে এসব সম্পদ অর্জন করেছেন।

মামলার তদন্তভার পাওয়া সিআইডির কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, গ্রেপ্তারের সময় শামীমের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা, ৯ হাজার মার্কিন ডলার ও ৭৫২ সিঙ্গাপুরি মুদ্রা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় দুটি বাড়িসহ তার ৫১ দশমিক ৮৩ কাঠা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে। এগুলোর দলিল মূল্য ৪০ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ২০০ টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ Gen Z Bangladesh Online - জেন জি বাংলাদেশ অনলাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ