| ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


ত্রিপুরায় বাংলাদেশি পণ্যের জন্য হাহাকার

রিপোর্টারের নামঃ ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট টাইম : 01-07-2025 ইং
  • 120287 বার পঠিত
ত্রিপুরায় বাংলাদেশি পণ্যের জন্য হাহাকার
ছবির ক্যাপশন: ত্রিপুরায় বাংলাদেশি পণ্যের জন্য হাহাকার

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। বিশেষ করে সেখানে মাছ, বিস্কুট, কোমল পানীয়, প্রসেসড ফুড ও চিপসের চাহিদা বেশি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়াসহ ৮টি স্থলবন্দরে গত দেড় মাসে রপ্তানি বন্ধ থাকায় সেখানে এসব পণ্যের দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ, ভারতের সেভেন সিস্টারখ্যাত রাজ্যে দেশটির পশ্চিম অংশ থেকে পণ্য আসা অনেক ব্যয়বহুল। ফলে বাংলাদেশি পণ্য সেখানে না গেলে হাহাকার পড়ে যায়।

বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাবার, কাঠের ফার্নিচার ও ফলসহ কমপক্ষে সাত ধরনের পণ্য স্থলবন্দর দিয়ে আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ভারত। এসব পণ্য শুধু কলকাতা ও মুম্বাই সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি করা যাবে।

জানা গেছে, ত্রিপুরায় পর্যাপ্ত জলাশয় না থাকায় বাংলাদেশি মাছের চাহিদা বেশি। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে মাছ আসলেও চার দিন সময় লাগে। কিন্তু বাংলাদেশি মাছ কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ত্রিপুরার বাজারে চলে আসে তাই এখানে মাছ আমদানি বাড়ছে। কোনো কারণে বাংলাদেশ থেকে মাছ রপ্তানি বন্ধ থাকলে ত্রিপুরার মাছের বাজারে হাহাকার পড়ে যায়।

জানা যায়, ২০২৪-২৫ ভারতীয় অর্থবছরে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮৯৪ কোটি টাকার বাংলাদেশি পণ্য ত্রিপুরায় রপ্তানি হয়। এর মধ্যে ৩৭৬ কোটি ৯৫ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি টাকায় ৫৩৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার মাছ বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরার বাজারে যায়। একই সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে সব মিলিয়ে আমদানি হয় মাত্র ৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকার পণ্য।

গত ২৬ জুন ভারতের ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার মান্দারি এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন মামুন ইসলাম ভূঁইয়া ও তার সহধর্মিণী। তাদের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বাংলাদেশের মানুষের প্রতি ত্রিপুরার মানুষের অনেক ভালোবাসা ও আবেগ কাজ করে।

তিনি আরো বলেন, ভারত সরকার কোমল পানীয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় ত্রিপুরায় এসবের দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের কোমল পানীয় পণ্যের ব্যাপক চাহিদা আমাদের ত্রিপুরায় । এ ছাড়া সব ধরনের বান রুটি ও কেকের চাহিদা রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিবির বাজার স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ফল, প্রসেসড ফুড, কোমল পানীয়, চিপস ত্রিপুরায় প্রবেশ না করায় এসব পণ্যের দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা যায়। কারণ সেভেন সিস্টারে ভারতের পশ্চিম অংশ থেকে পণ্য আসা অনেক ব্যয়বহুল।

কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, শুধু মেডিকেল ভিসায় ভারতে প্রবেশ করতে পারছে বাংলাদেশিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ Gen Z Bangladesh Online - জেন জি বাংলাদেশ অনলাইন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ