হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও বন্দী বিনিময় চুক্তি করার দাবিতে ইসরাইলের তেলআবিবে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মানুষ। শনিবার রাতে হোস্টেজ স্কয়ারে বিক্ষোভ সমাবেশে করেছেন তারা। এসময় ইসরাইল সরকারের যুদ্ধ পরিচালনারও সমালোচনা করা হয়। খবর টাইমস অব ইসরাইলের।
জানুয়ারি-মার্চ মাসে সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির সময় হামাসের বন্দীদশা থেকে মুক্তি পাওয়া পাঁচজন ইসরাইলি সেনার একজন লিরি আলবাগ। হোস্টেজ স্কয়ারে আবেগঘন বক্তৃতায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু’র প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আলবাগ নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্পকে সম্বোধন করে বলেন, ‘ইরানের ব্যাপারে সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটাবে এমন একটি সাহসী সিদ্ধান্ত নিন। বন্দী সবাইকে ফিরিয়ে আনা জাতি হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
সেইসঙ্গে জিম্মিদের পরিবারগুলো একটি যৌথ বিবৃতিতে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং তাদের প্রিয়জনদের ফিরিয়ে আনতে হামাসের সঙ্গে চুক্তি করার আহ্বান জানিয়েছে।
এছাড়া, তেল আবিবে আইডিএফ সদর দপ্তরের বেগিন রোডের প্রবেশপথেও জড়ো হয়েছিলেন কমপক্ষে এক হাজার ৫০০ বিক্ষোভকারী ।
এসময় হামাসের হাতে বন্দী ইসরাইলিদের ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হওয়ায় নেতানিয়াহু সরকারের সমালোচনা করেন বিক্ষোভকারীরা।
তিন সপ্তাহ পর বিক্ষোভকারীরা শনিবার রাতে আবারো রাস্তায় নেমে আসেন।
আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্তি হলে হামাসের কাছে বন্দী বাকি ৫০ জন জিম্মিকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে। যদিও এর কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতয়তা এখনো নেই।
শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি মনে করেন ‘আগামী সপ্তাহের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো হবে।’
| ফজর | ০৪:৫৪-০৬:০৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১২:০৯-০৪:২৫ মিনিট দুপুর |
| আছর | ০৪:২৬-০৬:০৬ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ০৬:১০-০৭:২১ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ০৭:২২-০৮:৪৯ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |